AlokitoBangla
  • ঢাকা শনিবার, ০৯ ডিসেম্বর, ২০২৩, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩০
banner

তাড়াশে জমিজমা নিয়ে বিরোধ;সংঘর্ষে অন্তঃস্বত্তা মহিলা সহ আহত ৫


FavIcon
মোঃ শামছুল হক,উল্লাপাড়া(সিরাজগঞ্জ)প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: নভেম্বর ২০, ২০২৩, ১২:৩৪ পিএম
তাড়াশে জমিজমা নিয়ে বিরোধ;সংঘর্ষে অন্তঃস্বত্তা মহিলা সহ আহত ৫
তাড়াশে জমিজমা নিয়ে বিরোধ;সংঘর্ষে অন্তঃস্বত্তা মহিলা সহ আহত ৫

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে মহিলা সহ আহত হয়েছেন অন্তত ৫জন। গুরুতর আহতাবস্থায়  ১জনকে তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং অবস্থার অবনতি হলে  সন্ধ্যায় মুহুর্ষ অবস্থায় ওই গৃহিনী মোছা. আবেদা খাতুন (৫০) কে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

রবিবার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের হামকুড়িয়া শেখপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান ম্যাগনেট।

জানা গেছে, হামকুড়িয়া শেখপাড়া গ্রামের মৃত ঈমান আলীর ছেলে মোঃ তফের আলী (৫৫) ও মোঃ রেজাউল করিম (৫২)  তাদের পৈতিক জমি বিগত কয়েক বছর যাবত ভোগ দখল করে আসছেন এবং বর্তমানে ওই জমিতে  ভুট্টার চাষও করেছেন। 

একই গ্রামের মৃত রোস্তম আলীর ছেলে মোঃ সোহরাব আলী (৪৪) ওই জমির মালিকনা  দাবী করে তার  ছোট ভাই রবিউল (৩৮),  মাসুদ রানা (৩৬), মোক্তার হাসেন (৩২), মোস্তফা (২৮) এবং ভাতিজা মোঃ সাব্বির হোসেন (২৩)গংদের সংগে নিয়ে ১৯ নভেস্বর রবিবার দুপুরে ওই জমি জোর পূর্বক দখল করতে যান। এ সময় খবর পেয়ে  তফের আলী ও রেজাউল করিম ওই জমিতে যান এবং উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে সোহরাব আলী তার লোকজন  নিয়ে তফের আলী ও রেজাউল করিমকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটাতে থাকেন। এতে রেজাউল করিমের স্ত্রী আবেদা খাতুন এবং ৭ মাসের অন্তঃস্বত্তা ভাতিজী তাকমিনা খাতুন বাঁধা দিলে তাদেরও বেধড়ক পেটানো হয়। লাঠির আঘাতে  আবেদা খাতুনের মাথা ফেটে যায়। পাশাপাশি তফের আলী, রেজাউল করিম এবং অন্তঃস্বত্তা তাহমিনাও গুরুত্ব আহত হন। 

এলাকাবাসি  গুরুত্বর আহতাবস্থায় আবেদা খাতুন ও তাহমিনা খাতুনকে  জরুরী চিকিৎসার জন্য তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান। 

বিষয়টির সম্পর্কে তফের আলী বলেন-তাদেরকে বাঁশের লাঠি, লোহার রড দিয়ে শারিরিক নির্যাতন করা হয়েছে। তারা এর বিচার চান। আর অভিযুক্ত সোহরাব আলী নির্যাতনের প্রসঙ্গে বলেন-উনারা যে নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন তা সঠিক নয়। শুধু ধাক্কা ধাক্কি হয়েছে মাত্র। 

তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরী বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক আজমাইন ইফতেখার বলেন- আবেদা খাতুনের মাথায় বেশ কয়েকটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর বর্তমানে রোগীর আত্মীয়স্বজন আবেদা খাতুনকে অন্যত্রে নিয়ে গেছেন।

এ প্রসঙ্গে তাড়াশ থানার পরিদর্শক (ওসি) মোঃ  শহিদুল ইসলাম বলেন - এ ব্যপারে এখন পর্যন্ত থানায় মামলা হয়নি।  মামলা হলে  আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Banner
Side banner
Side banner