AlokitoBangla
  • ঢাকা রবিবার, ২৫ জুলাই, ২০২১, ১০ শ্রাবণ ১৪২৮
৩৭২ টি অসহায় পরিবারের স্বপ্ন পুরনের প্রতিক

প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেয়ে সিরাজগঞ্জের ছিন্নমুল মানুষের মুখে হাসি ফুটেছে


FavIcon
জহুরুল ইসলাম,(নিজস্ব প্রতিবেদক) সিরাজগঞ্জ:
প্রকাশিত: জুলাই ১৩, ২০২১, ০১:৪৭ পিএম
প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেয়ে সিরাজগঞ্জের ছিন্নমুল  মানুষের মুখে হাসি ফুটেছে
সিরাজগঞ্জের বাগবাটী ইউনিয়নের কানগাতী আশ্রয়ণ প্রকল্পের ছবি

 মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহারের পাকা ঘর পেয়ে সিরাজগঞ্জের ৩৭২ টি অসহায় পরিবারের স্বপ্ন পুরনে আশ্রয়ণ প্রকল্পে সকল সুবিধা সম্বলিত স্বায়ীভাবে মাথা গোঁজার ঠাই হওয়ায়  ছিন্নমূল মানুষের মুখে হাসি ফুটেছে।জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাবার আদর্শকে অমাøান রাখতে উন্নয়নের প্রতিক তৃণমুল মানুষের দ্বোরগোড়ায় পৌছাতে আশ্রয়ণের অধিকার শেখ হাসিনার উপহার আশ্রয়ণ প্রকল্প।
এই উপহারের পাকা ঘরগুলো স্বচ্ছতার সহিত নির্মানে সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আনোয়ার পারভেজ সক্রীয় ভুমিকা পালন করেছেন। স্বল্প বরাদ্দের মাধ্যমে একটি পরিবারের জন্য একটি বাথরুম, একটি কিচেন রুম, পাকা বারান্দাসহ দু-রুম বিশিষ্ট পাকা ঘর নির্মানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত কল্পে নির্বাহী কর্মকর্তার কঠোর নির্দেশনায় সঠিক সময়ে ঘরের কাজ সমাপ্ত করা হয়। ১০টি পরিবারের জন্য একটি টিউবয়েল স্থাপন ও  বিদ্যুৎ সুবিধাসহ অপুর্ব রঙ্গের সমাহারে চোখ ঝলসানো নির্মিত পাকাঘর  ২০ জুন ২০২১ ইং তারিখে প্রধানমন্ত্রী সারা বাংলাদেশে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে স্বপ্নের উপহারের ঘরগুলো শুভ উদ্বোধন করেন।খোকশাবাড়ি আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা খোকশাবাড়ি গ্রামের মৃত কদম আলীর কন্যা জয়গন (৬০) জানান, তিনবার নদী ভাঙ্গণের পর ইতিপুর্বে হাট বয়ড়ায় ৩ ছেলে ২ মেয়ে নিয়ে অন্যের বাড়িতে উঠলি ছিলাম। স্থানীয় চেয়ারম্যানের সহযোগীতায় ঘর পেয়ে ছেলে মেয়ে নিয়ে নিরাপদে বাস করছি। সরকারের এই ঘর পেয়ে আমরা খুবই খুশি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মন থেকে দোয়া করি।বাগবাটী ইউনিয়নের কানগাতী আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা, ভ্যানচালক সোবাহানের স্ত্রী কোহিনুর খাতুন (৪৫) জানান, আমাগো দেখার কেউ ছিল না।  ঝড় বৃষ্টি মাথায় নিয়ে দিন কাটাইছি। এহন ইছামতি নদীর কাছে আমাগো ঘরে আল্লার বাতাস গায়ে লাগে।সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. সাইদুল হক জানান, নির্বাহী অফিসার মো. আনোয়ার পারভেজ স্যার সরকারি ড্রয়িং অনুযায়ী ঘর নির্মান সামগ্রি ক্রয়ে কোন প্রকার অনিয়মের আশ্রয় না দিয়ে সুবিধা বঞ্চিতদের ন্যায্য হিস্যার উপহার দিতে ঘর নির্মান কমিটির প্রতি কঠোর নির্দেশ প্রদান করেন। এমনকি প্রতিটি ঘর নির্মানের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সততার সহিত তদারকি ও নজরদারী রাখার কারনে নিয়ম মাফিক কাজগুলো করা সম্ভব হয়েছে।এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আনোয়ার পারভেজ জানান, সরকারী প্রাক্কলিত ব্যয়ের নির্ধারিত টাকায় ঘর নির্মান করা হয়েছে এবং সঠিকভাবে কাজগুলো করতে পেরেছি।নির্মানকৃত ঘরের স্থায়ীত্বের¡ বিষয়ে বাসদ এর আহবায়ক ও সিরাজগঞ্জ স্বার্থরক্ষা সংগ্রাম কমিটির নেতা নব কুমার কর্মকার জানান,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ভুমিহীনদের ঘর দিয়ে তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা এটা প্রশংসনীয় ।  কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে প্রথম পর্যায়ে ১ লাখ ৭১ হাজার ও দ্বিতীয় পর্যায়ে ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা দিয়ে ভাল পাকা ঘর তৈরী করা সম্ভব কিনা আমাদের এই প্রাকৃতিক দুর্যোগপুর্ন দেশে। প্রশাসন যদি মনে করেন ওই টাকা দিয়ে ঘর তৈরী করা সম্ভব না সেই ক্ষেত্রে বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে ম্যাসেসটা পাঠানো দরকার ছিল। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা ও স্থানীয় ইঞ্জিনিয়ারসহ প্রশাসনের গবেষনা করে বরাদ্দ বাড়ানো উচিত ছিল বলে আমি মনে করি। বঙ্গবন্ধুর শতবর্ষ উপলক্ষ্যে যে ঘরটা দেয়া হচ্ছে তা যদি মান সম্পন্ন না হয় তা হলে এটা নিয়ে সমালোচনা হবে। আমরা মনে করি যে কাজটাই করেন না কেন সেটা অল্প হোক তবে ভাল  করে করতে হবে তবেই জনগণ উপকৃত হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।  


 

 

Side banner