AlokitoBangla
  • ঢাকা রবিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২১, ৯ কার্তিক ১৪২৮

টাকার বিনিময়ে সার্টিফিকেট প্রদানের অভিযোগ উঠেছে সদর হাসপাতালের ডা. নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে


FavIcon
বিশেষ প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: অক্টোবর ১২, ২০২১, ০৮:১৫ পিএম
টাকার বিনিময়ে সার্টিফিকেট প্রদানের অভিযোগ উঠেছে  সদর হাসপাতালের ডা. নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে
টাকার বিনিময়ে সার্টিফিকেট প্রদানের অভিযোগ উঠেছে সদর হাসপাতালের ডা. নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে

আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. মো.ফরিদুল ইসলামের যোগ সাজসে বিনা জখমে গ্রিভিয়াস সার্টিফিকেট প্রদান করায় সদর হাসপাতালের ডা. মো. নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভাগীয়  ব্যবস্থা গ্রহনে সিভিল সার্জন বরাবর অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।গতকাল সোমবার সকালে সিভিল সার্জন বরাবর লিখিত অভিযোগে জানা যায়, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে গত ২৫ সেপ্টেম্বর সদর উপজেলার বাগবাটী ইউনিয়নের পেচী বাড়ি গ্রামের রহিজ উদ্দিনের ছেলে রাশিদুল ইসলাম  তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে গভীর রাতে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে চকফুলকোচা গ্রামের হারুন অর রশিদের ছেলে রশিদুল ও বড় ভাই আব্দুস ছাত্তার আহত হয়। গুরুতর আহত আব্দুস ছাত্তারকে গত ২৬ সেপ্টেম্বর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আব্দুস ছাত্তারকে হাসপাতালে ভর্তির কথা শুনে ধুর্তবাজ প্রতিপক্ষ আবাসিক  মেডিক্যাল অফিসার ডা. মো ফরিদুল ইসলামকে ম্যানেজ করে ও ডা. নুরুল ইসলামের সহযোগীতায় অক্ষত বা জখম না থাকলেও আব্দুল লতিফকে জখম দেখিয়ে সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। অপরদিকে প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত আব্দুস ছাত্তার ১০ দিন চিকিৎসাধীন থাকা সত্বেও ডাক্তারের স্বজনপ্রীতিতে তাকে সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়নি। ফলে আহত ব্যক্তি ন্যায় বিচারে বঞ্চিত হওয়ায় জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।হাসপাতালের ডাক্তারের নিকট বারংবার সার্টিফিকেট এর তাগাদা দিলেও কোন প্রকার কাজ হয়নি। সরকারী ডাক্তারের অনৈতিক কাজের কারনে আহতের পরিবার সুবিচার না পাওয়ায় ডা.মো.নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহনের দাবীতে সিভিল সার্জন বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন আব্দুস ছাত্তারের ভাই রশিদুল ইসলাম।একডালা গ্রামের লাবলু জানান, প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে গাজী আমজাদের কন্যা মোছা. আজমীর আক্তারকে অক্ষত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি দেখিয়ে গ্রিভিয়াস সার্টিফিকেট নিয়ে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। অপরদিকে একই এলাকার গত ১৭.০৭.২১ ইং রোজ বুধবার বাহেজ,পারভীন, মানজাম ও হারুনার রশিদকে আহত দেখিয়ে টাকার বিনিময়ে সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।
এ বিষয়ে ডা. নুরুল ইসলামের সাথে কখা বললে তিনি জানান, উপজেলা পঃ পঃ কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম হীরার সুপারিশে ওই সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়েছে।এ বিষয়ে ডা. জাহিদুল ইসলাম হীরার সাথে কথা বললে তিনি ঘটনা অস্বীকার করেন।এ ব্যপারে সিভিল সার্জনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি বাহিরে থাকায় কথা বলা সম্ভব হয়নি।টাকার বিনিময় ও বিভিন্ন তদবিরের কারনে ডা. মো. নুরুল ইমলামের অনৈতিক কর্মকান্ড বন্ধ করতে উর্দ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবাররা।
 

 

Side banner