AlokitoBangla
  • ঢাকা সোমবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২২, ১১ মাঘ ১৪২৮

পছন্দের প্রার্থীকে ভোট না দেয়ায় যুবকের হাত ও পা ভেঙে দেয়ার অভিযোগ


FavIcon
জহুরুল ইসলাম,(নিজস্ব প্রতিবেদক) সিরাজগঞ্জ:
প্রকাশিত: নভেম্বর ২৬, ২০২১, ০৮:১০ পিএম
পছন্দের প্রার্থীকে ভোট না দেয়ায় যুবকের হাত ও পা ভেঙে দেয়ার অভিযোগ
পছন্দের প্রার্থীকে ভোট না দেয়ায় যুবকের হাত ও পা ভেঙে দেয়ার অভিযোগ

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বিনসাড়া দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির নির্বাচনে অভিভাবক সদস্য পদে ভোট না দেয়ার অপরাধে মো: তামিম হোসেনকে (৩৫) পিটিয়ে হাত-পা ভেঙ্গে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলার বারুহাঁস ইউনিয়নের বিনাসাড়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে।আহত তামিম হোসেন ওই গ্রামের মো: গোলবার হোসেনের ছেলে।বিষয়টি ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো: মোক্তার হোসেন মুক্তা নিশ্চিত করেছেন।তিনি জানিয়েছেন, গুরুতর আহত তামিমকে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট শেখ ফজিলাতুনেছা মুজিব হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।আহত তামিমের বাবা গোলবার হোসেন জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার বিনসাড়া দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আর ওই নির্বাচনে বিনসাড়া গ্রামের মৃত রফাদ আলীর ছেলে মো: ভুটুর মনোনীত একজন অভিভাবক সদস্য পদের প্রার্থী ছিলেন। তাকে ভোট না দেয়ার অপরাধে শুক্রবার সকালে আমার ছেলে বিনসাড়া বাজারে এলে মো: ভুট্টুর নেতৃত্বে চার থেকে পাঁচজন যুবক অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় আমার ছেলে তামিম হোসেনকে লোহার রড় ও লাঠি দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে তার হাত ও পা ভেঙে রাস্তায় ফেলে রেখে চলে যায়।এ সময় বাজারের লোকজন এগিয়ে এসে আমার ছেলেকে উদ্ধার করে তাড়াশ উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে আসে। পরে সেখানে তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।এ বিষয়ে ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ইলিয়াস আলী জানান, গত বৃহস্পতিবার বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির নির্বাচনে ভোট না দেয়ায় সকালে তামিমকে পিটিয়ে হাত ও পা ভেঙে দিয়েছে তারা। শুধু তাই নয় ভোটের আগের রাতেও তারা তাদের মনোনীত প্রার্থীকে ভোট না দিলে তামিমকে দেখে নেবার হুমকি দিয়েছিল।এ প্রসঙ্গে তাড়াশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: ফজলে আশিক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের পর আহতকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আর এখনো কেউ থানায় মামলা করতে আসেননি। তারা যখন আসবেন তখনই মামলা নেয়া হবে।

 

Side banner