AlokitoBangla
  • ঢাকা শনিবার, ২৮ মে, ২০২২, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

আ.লীগ নেতার পরিবারের সঙ্গে সংঘর্ষে ৬ পুলিশ সদস্য আহত


FavIcon
রংপুর,প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: মে ১২, ২০২২, ০৯:৪৪ পিএম
আ.লীগ নেতার পরিবারের সঙ্গে সংঘর্ষে ৬ পুলিশ সদস্য আহত
আ.লীগ নেতার পরিবারের সঙ্গে সংঘর্ষে ৬ পুলিশ সদস্য আহত

পীরগঞ্জে উচ্চ আদালতের নির্দেশ পালনে যাওয়া পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও তার পরিবারের সদস্যদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী পুলিশসহ ৬ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। অপরপক্ষেও ৮-৯ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পুলিশ ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে।বুধবার শানেরহাট ইউনিয়নের পাহাড়পুর মৌজায় ঘটনাটি ঘটে। উচ্চ আদালতের নির্দেশে সেচপাম্পে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে যাওয়া নিয়ে এ সংঘর্ষ হয়।এ ঘটনায় শানেরহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মাস্টার, তার স্ত্রী বিজলী বেগম, মেয়ে মীম আক্তার, তার বোন বড়পাহাড়পুর গ্রামের মেনাজ উদ্দিনের স্ত্রী মিরা বেগম, আরেক বোন প্রথমডাঙ্গা গ্রামের লাল মিয়ার স্ত্রী মমতা বেগম ও নিকটাত্মীয় ধল্লাকান্দি গ্রামের রুপিয়া বেগমকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে বুধবার রাতেই তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-১ এর সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সাল থেকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান পাহাড়পুর মৌজায় বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের একটি গভীর নলকূপ পরিচালনা করে আসছেন। কয়েক মাস আগে একই মৌজার নিজ জমিতে স্থানীয় কাজীপাড়ার রশিদ সরদার গভীর নলকূপ স্থাপনের জন্য উপজেলা সেচ কমিটির কাছে আবেদন করেন। অনুমোদনও পান। তবে অল্প দূরত্বে দুটি গভীর নলকূপ পরিচালনা সম্ভব নয় জানিয়ে মিজানুরের আবেদনের পর সেই সিদ্ধান্ত স্থগিত করে উপজেলা সেচ কমিটি। বিষয়টি সুরাহা না হওয়ায় উচ্চ আদালতে যান রশিদ সরদার।সম্প্রতি হাইকোর্ট ১০ কার্যদিবসের মধ্যে রশিদের সেচ পাম্পে বিদ্যুৎ সংযোগের নির্দেশ দিলে রংপুর পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-১ নলকূপে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ে। গত বুধবার পীরগঞ্জ থানা পুলিশসহ পল্লীবিদ্যুতের লোকজন সেখানে গেলে ওই আওয়ামী লীগ নেতা এবং তার পরিবারের সদস্যরা পুলিশের সঙ্গে হাতাহাতি করেন।এ সময় নারী পুলিশ সদস্য গোলেনুর বেগম ও জান্নাতুল মাওয়া আহত হন। পরে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে পুলিশের নায়েক ফারুক উজ জামান, কনস্টেবল তারেক মিয়া, কামরুল হাসান, আরিফুল হক আহত হন। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।পীরগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল আউয়াল জানান, হাইকোর্টের নির্দেশ পালনে পল্লীবিদ্যুতের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। ওই সময় মিজান মাস্টার ও তার পরিবারের লোকজন পুলিশের ওপর হামলা করে। এ ঘটনায় মামলায় ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।ওই পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আসাদুজ্জামান বলেন, ১০ কার্যদিবসের মধ্যে হাইকোর্টের আদেশ পালনের বাধ্যবাধকতা ছিল। বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে বাধার সম্মুখীন হওয়ায় পুলিশের সহায়তা চাওয়া হয়েছিল।

Side banner

সারাদেশ বিভাগের আরো খবর

Small Banner