AlokitoBangla
  • ঢাকা শনিবার, ২৮ মে, ২০২২, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

কেশবপুরে বাঁধ ভেঙে পলিতে ভরাট হচ্ছে নদী


FavIcon
মোঃ বিল্লাল হোসেন,কেশবপুর(যশোর) প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: মে ১৩, ২০২২, ০৮:৩৬ পিএম
কেশবপুরে বাঁধ ভেঙে পলিতে ভরাট হচ্ছে নদী
কেশবপুরে বাঁধ ভেঙে পলিতে ভরাট হচ্ছে নদী

যশোরের কেশবপুরে আপারভদ্রা নদীর মুখের ক্রসবাঁধ নির্মাণের ৫ দিন পরেই তা ভেঙে পড়েছে। বাঁধ দিয়ে ২৩ দিন ধরে নদীতে পলি ঢুকলেও পানি উন্নয়ন বোর্ডের তদারকির অভাবে ভেঙ্গে যাওয়া ক্রসবাঁধ পুনঃনির্মাণে বিলম্ব হচ্ছে। এর ফলে নদী পলিতে ভরাট হয়ে যাচ্ছে। পলি ঠেকাতে বাঁধটি পুনঃনির্মাণের দাবি করেছেন এলাকাবাসি।জানাগেছে, আশির দশকের পর থেকে আপারভদ্রা, হরিহর ও বুড়িভদ্রা নদী পলিতে ভরাট হতে শুরু করে। যার কারণে কেশবপুর শহরসহ মনিরামপুর উপজেলা অধিকাংশ এলাকায় প্রতি বর্ষা মৌসুমে দেখা দিত স্থায়ী জলাবদ্ধতা। এ সমস্যা নিরসনে উপজেলার কাশিমপুরে আপারভদ্রা নদীর মুখে প্রতিবছর সাময়িক ক্রসবাঁধ দেয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এরপর থেকে প্রতি বছরের জানুয়ারির মাঝামাঝি থেকে এপ্রিলের মধ্যে ওই স্থানে ক্রসবাঁধ দেয়া এবং জুনের শেষের দিকে তা অপসারণ করার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। নদী রক্ষায় ধারাবাহিকভাবে প্রকল্পটি চলমান রয়েছে। ২০১৮ সালে ৩ বছর মেয়াদে কেশবপুরের আপারভদ্রা, হরিহর, বুড়িভদ্রা নদীসহ এর সংযোগ খালগুলো প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে খনন করা হয়। পলি ঠেকাতে প্রতি বছরের ন্যায় আপারভদ্রা নদীর মুখের ক্রসবাঁধের নির্মাণ কাজ ১৫ এপ্রিল ঠিকাদার সম্পন্ন করে। ৫ দিন যেতে না যেতেই বাঁধটি ভেঙে যায়।সরেজমিন ক্রসবাঁধ এলাকায় গেলে উপজেলার গৌরীঘোনা গ্রামের কৃষক আবু সাঈদ গাজী বলেন, বাঁধ নির্মাণের মাত্র পাঁচদিনের মধ্যেই ভেঙ্গে জোয়ারের পানিতে পলি ঢুকে পড়ছে নদ-নদীতে। পলি উঠার কারণে আবারও নদনদীর তলদেশ উঁচু হয়ে যাচ্ছে। যে কারণে বর্ষা মৌসুমে এলাকা থেকে পানি নিষ্কাশনে সমস্যা দেখা দেবে।ক্রসবাঁধ পুনঃনির্মাণের দায়িত্বে থাকা ডুমুরিয়া উপজেলার কুলবাড়িয়া গ্রামের শহিদুল ইসলাম জানান, গত ৭ দিন ধরে বাঁধ পুনঃনির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। চলতি মাসের মধ্যেই বাঁধ মেরামতের কাজ শেষ হবে।এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মুন্সি আছাদুল্লাহ বলেন, প্রচন্ড জোয়ারের চাপে বাঁধটি ভেঙে যায়। দ্রুত ক্রসবাঁধের নির্মাণ কাজ স¤পন্ন হবে।

 

Side banner

সারাদেশ বিভাগের আরো খবর

Small Banner