AlokitoBangla
  • ঢাকা সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ১১ আশ্বিন ১৪২৯

কেশবপুরে যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করে ৬ পরিবারকে অবরুদ্ধ


FavIcon
মোঃ বিল্লাল হোসেন,কেশবপুর(যশোর) প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২২, ০৯:১৬ পিএম
কেশবপুরে যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করে ৬ পরিবারকে অবরুদ্ধ
কেশবপুরে যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করে ৬ পরিবারকে অবরুদ্ধ

কেশবপুরে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পথ বন্ধ করে ৬টি পরিবারকে দীর্ঘদিন ধরে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে শরিকদের বিরুদ্ধে। এর ফলে ওই পরিবারের সন্তানেরা স্কুলে যাতায়াত, কৃষি পণ্য আনা নেওয়াসহ বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। ওই পরিবারগুলোর যাতায়াতের জন্য পৌরসভা থেকে একাধিকবার রাস্তা নির্মাণে টেন্ডার হলেও শরিকদের বাধার মুখে কাজ বন্ধ রয়েছে।
সরেজমিন বুধবার বিকেলে পৌরসভার বাজিতপুর পূর্ব পাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ওই এলাকার বাবর আলী, নাইম হোসেন, মোকাম মোড়ল, রাজু আহমেদ, মিলন মোড়ল ও শামীম মোড়লের পরিবারকে তাদের শরিকরা দীর্ঘদিন ধরে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পথ বন্ধ করে অবরুদ্ধ করে রেখেছে। তাদেরকে প্রতিবেশিদের বাড়ির ভেতর দিয়ে অনেক কষ্টে যাতায়াত করতে হচ্ছে।
ভুক্তভোগী বাবর আলী বলেন, তাদের শরিক ওয়াজেদ আলী, জাকাত মোড়ল, আবু বকর, আব্বাস মোড়ল, সাবেক কাউন্সিলর জাকির হোসেনসহ অন্যরা পৈত্রিক স¤পত্তির যাতায়াতের রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে বন্ধ করে আমাদের ৬টি পরিবারের নারী ও শিশুসহ অন্তত ২০ জন সদস্যকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে। এ কারণে প্রতিবেশিদের বাড়ির ভেতর দিয়ে অনেক কষ্টে যাতায়াত করতে হচ্ছে। এছাড়া তাদের অত্যাচারে চাচা আজিবার রহমান বাড়ি ফেলে মির্জাপুর গ্রামে বসবাস করছে।
ভুক্তভোগী মোকাম মোড়ল বলেন, যাতায়াতের জন্য প্রায় ১৫০ ফুট রাস্তা বরাদ্দ হলেও শরিকরা সে রাস্তায় টিনের চালা দিয়ে বন্ধ করে রেখেছে। আমাদের কৃষি পণ্য আনা নেওয়াসহ সন্তানদের স্কুলে যাতায়তে ব্যাপক অসুবিধা দেখা দিচ্ছে। বিষয়টি স্থানীয় কাউন্সিলরকে জানানো হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে ওয়াজেদ আলী বলেন, আমরা কারও পথ বন্ধ করে রাখিনি। তারা অহেতুক আমাদেরকে দোষারোপ করছে।
স্থানীয় কাউন্সিলর মনোয়ার হোসেন মিন্টু বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শরিকরা যাতায়াতের পথ বন্ধ করে ওই ৬টি পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে। তাদের বাড়ির ভেতর থেকে সড়কে ওঠার জন্য ১৫০ ফুট রাস্তা বরাদ্দ হলেও ওই শরিকদের বাধার কারণে সেটা বন্ধ রয়েছে।
এ ব্যাপারে পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি শুনেছি। সরেজমিন তদন্ত করে দেখা হবে।

 

 

Side banner