AlokitoBangla
  • ঢাকা বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ৯ ফাল্গুন ১৪৩০
banner

প্রতারণা মামলায় আলেশা মার্টের চেয়ারম্যান মঞ্জুর গ্রেপ্তার


FavIcon
আলোকিত বাংলা অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৪, ২০২৪, ০৫:৪৯ পিএম
প্রতারণা মামলায় আলেশা মার্টের চেয়ারম্যান মঞ্জুর গ্রেপ্তার
প্রতারণা মামলায় আলেশা মার্টের চেয়ারম্যান মঞ্জুর গ্রেপ্তার

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আলেশা মার্টের চেয়ারম্যান মঞ্জুর আলম শিকদারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, গ্রাহকের করা শতাধিক প্রতারণার মামলায় মঞ্জুরের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।

শনিবার (১৩ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে মঞ্জুরকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঢাকা মহানগর পুলিশের(ডিএমপি) গুলশান বিভাগের উপকমিশনার রিফাত রহমান শামীম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

রিফাত রহমান বলেন,  মঞ্জুরের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনেও মামলা আছে। এই মামলার বাদী পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তার বিরুদ্ধে শতাধিক মামলার ওয়ারেন্ট রয়েছে।

আলেশা মার্টের চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

সিআইডির দেওয়া তথ্য মতে, ২০২০ সালের ২৬ জুলাই আলেশা মার্ট যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মগুলোর পরিদপ্তর থেকে নিবন্ধন পায়। প্রতিষ্ঠানটি ২০২০ সালের ১০ নভেম্বর ঢাকার উত্তর সিটি করপোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স নেয়। আনুষ্ঠানিকভাবে আলেশা মার্টের যাত্রা শুরু হয় ২০২১ সালের ৭ জানুয়ারি।

‘আছি তো আমরা আছি তো’ স্লোগান নিয়ে বাজারে আসে প্রতিষ্ঠানটি। সেই সময়কার বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সী নিজে উপস্থিত থেকে এর উদ্বোধন করেন।

যাত্রা শুরুর পর কম মূল্যে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক পণ্য সরবরাহের জন্য গ্রাহকদের কাছ থেকে অগ্রিম টাকা নেয় প্রতিষ্ঠানটি। তবে বহু গ্রাহককে পণ্য না দিয়ে কিংবা টাকা ফেরত না দিয়ে ই-কমার্স ব্যবসার আড়ালে প্রতারণার মাধ্যমে তারা টাকা পাচার (মানি লন্ডারিং) করে বলে দাবি সিআইডির।

আলেশা মার্টের প্রতারণার বিষয়ে সিআইডি জানায়, আলেশা মার্ট চারটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে ৪২১ কোটি টাকা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আলেশা মার্টের চেয়ারম্যান মঞ্জুর ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে ৩১ কোটি টাকার স্থাবর সম্পদ কেনা হয়েছে। ২০২১ সালের ৩১ জানুয়ারি থেকে ২৫ আগস্টের মধ্যে এই সম্পদ কেনা হয়।

আলেশা মার্টের ভুক্তভোগী গ্রাহকদের সংগঠনের সভাপতি বিপ্লব আলী আরাফাত গণমাধ্যমকে বলেন, আলেশা মার্টের বেশিরভাগ গ্রাহকই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। টাকা হারিয়ে তারা হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন।

Banner
Side banner
Side banner