AlokitoBangla
  • ঢাকা সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ১১ আশ্বিন ১৪২৯

ভূমিদস্যুর বিরুদ্ধে প্রবাসীর স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন


FavIcon
মোঃ মারুফ সরকার,নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৯, ২০২২, ০৭:৫৯ পিএম
ভূমিদস্যুর বিরুদ্ধে প্রবাসীর স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন
ভূমিদস্যুর বিরুদ্ধে প্রবাসীর স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

চট্টগ্রামের চাঁদগাঁও থানার খতিববাড়ী মাহবুব কলোনিতে ভূমিদস্যু কর্তৃক এক প্রবাসীর জায়গা জোরপূর্বক দখল ও ভেতরে থাকা ভাড়াটিয়া এবং নারী কেয়ারটেকারকে মারধর ও শারীরিকভাবে হেনস্তা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় শুক্রবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী প্রবাসীর স্ত্রী কামরুন নাহার। তার স্বামী চট্টগ্রামের উরকিরচর থানার রাউজানের বাসিন্দা মোহাম্মদ হানিফ।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি চাঁদগাঁও ১৪নং গ্যারেজ, খতিববাড়ী মুখে রাতের অন্ধকারে আমার স্বামীর জমিতে জোরপূর্বক প্রবেশ করে হামলা, ভাঙচুর, কেয়ারটেকারকে অপহরণের অভিযোগ তোলেন ‘ভূমিদস্যু’ মোহাম্মদ জমিরউদ্দীন ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে।

কামরুন নাহার বলেন, ‘২০১৬ সালের ৩১ জানুয়ারি চাঁদগাঁও সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে প্রথমে বায়না পরবর্তীতে রেজিস্ট্রি করে আমার স্বামী মোহাম্মদ হানিফ ও দেবর মোহাম্মদ বাবর জমির প্রকৃত মালিক মোহাম্মদ শোয়াইবের কাছ থেকে জমির মালিকানা স্বত্ব বুঝে নেন। গত ৬ বছর যাবত আমরা আমাদেন কেনা সম্পত্তি ভোগ দখল করে আসছি। চলতি বছরের গত ২ সেপ্টেম্বর ভূমিদস্যু মোহাম্মদ জমিরউদ্দীন ও আবুল কাসেমের নেতৃত্বে ৪০ থেকে ৫০ জনের সন্ত্রাসী দল আমাদের চাঁদগাঁও থানার ১৪নং গ্যারেজ সংলগ্ন খতিববাড়ী মুখ মাহবুব কলোনীতে স্থাপনায় হামলা চালায়। এ সময় আমাদের ভাড়াটিয়াদের মারধর ও স্থাপনায় থাকা ভাড়াঘরে ভাঙচুর চালায়।’

তিনি বলেন, ‘সন্ত্রাসীরা আমার বিদ্যুৎ লাইন, মিটার, সিসি ক্যামেরা, সেমি-পাকা ঘরের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে। এক পর্যায়ে আমাদের কেয়ারটেকার নাসিমাকে তারা একটি গাড়িতে তুলে নিয়ে যায় হত্যার উদ্দেশ্যে। এ সময় কেয়ারটেকারকে জমির ও কাসেমের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা মারধর করে। নাসিমাকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা বুঝতে পেরে অপহরণকারীদের হাতে-পায়ে ধরে প্রাণভিক্ষা চাইলে তাকে কুয়াইশ অক্সিজেন রোডে নির্জন স্থানে ফেলে যায়। আহত অবস্থায় তাকে টহল পুলিশ উদ্ধার করে। আমাদের এই জমির ওপর আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও তারা পরিকল্পিতভাবে হামলা করে।’

এ ঘটনায় আমার ভাসুর প্রথমে চাঁদগাঁও থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন এবং পরে ৫ সেপ্টেম্বর জমির উদ্দিন এবং আবুল কাশেমদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।এ ঘটনায় দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে ৬ সেপ্টেম্বর রাতে পুলিশ মামলার ৫ আসামিকে গ্রেফতার করে। তবে প্রধান আসামি ভূমিদস্যু জমির ও কাসেম পলাতক থাকায় আমরা ভীতিকর সময় অতিবাহিত করছি।

কামরুন নাহার ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান।অবিলম্বে প্রধান আসামি জমির উদ্দিন ও কাশেমকে গ্রেফতারপূর্বক শাস্তি প্রদান ও নিজের পরিবারের নিরাপত্তার দাবি জানান কামরুন নাহার।সুষ্ঠু বিচারের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

 

 

 

Side banner