AlokitoBangla
  • ঢাকা শুক্রবার, ১৮ জুন, ২০২১, ৪ আষাঢ় ১৪২৮

ঘরে তৈরি সহজ গ্রীষ্মকালীন পানীয়


FavIcon
আলোকিত বাংলা ডেস্ক:
প্রকাশিত: মে ২৪, ২০২১, ০৫:০০ পিএম
ঘরে তৈরি  সহজ গ্রীষ্মকালীন পানীয়
গ্ৰীষ্মকালীন পানীয় ঘরে তৈরির সহজ উপায়

 গ্রীষ্মের সময় দিনের বেলা তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় যা আমাদের শরীরকে ক্লান্ত করে ফেলে। জীবনযাত্রা হয়ে পরে কঠিন। তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে শরীরে পানি শূন্যতা, হিটস্ট্রোক, ক্ষুধামন্দা, বমিভাব, অম্বল, কোষ্ঠকাঠিন্য, অন্ত্রে সিন্ডোম, পেট ফুলে যাওয়া এগুলো হতে পারে। এছাড়া কোভিড ১৯ বা অন্যান্য রোগের জন্য আরও দুর্বল করে তোলে। স্বাস্থকর পানীয় পান করে গ্রীষ্মকালীন জটিলতাগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। হাইড্রেটেড রাখতে এবং হজমে উন্নতি করতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে দেহকে উজ্জীবিত করে। গ্রীষ্মকালীন সহজ কিছু পানীয় পান করে আমার এই সকল সমস্যার সমাধান করতে পারি।বেলের শরবত: তরতাজা এক গ্লাস বেলের শরবত আপনাকে করে তুলবে প্রাণবন্ত।গ্রীষ্মকালীন ফলের মধ্যে খুব সহজলভ্য দেশীয় ফল বেল, যাতে রয়েছে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ক্যলসিয়াম, আয়রন, ভিটামিন ডি,সি, ফ্যাট।ইত্যাদি। ১০০ গ্ৰাম পাকা বেলে ৪৯ কেসিএল থাকতে পারে। শরীরকে হাইড্রেট করার পাশাপাশি, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, পেটের জটিলতা দূর করে পেট ভালো রাখে, হজমে সহায়তা করে। লেবুনেট: লেবু পানি গ্রীষ্মকালীন আরও একটি জনপ্রিয় পানীয় যা মুহূর্ত শরীরকে তাজা ও সজীব করে। ভিটামিন সি এ ভরপুর। অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টির মধ্যে রয়েছে ক্যলরি, কার্বোহাইড্রেট, পটাশিয়াম, ক্যলসিয়াম, ম্যগনেসিয়াম, ফসফরাস, লুটিন ইত্যাদি। ভিটামিন সি থাকায় আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ক্ষত বা ঘা সারাতে সাহায্য করে। সাধারণ সর্দি, কাশি, স্ট্রোক, কার্ডিও ভাসকুলার রোগ এমনকি কোভিড ১৯ এর মতো রোগের ওষুধ হিসেবে কাজ করে। প্রাপ্ত বয়স্ক দের জন্য ৬৫ থেকে ৯০ মিলিগ্ৰামের একটি লেবু থেকে ১৮-৬ মিলিগ্ৰাম ভিটামিন সি পাওয়া যায়। শুধুমাত্র গ্রীষ্মকালই নয়, আমাদের প্র্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার রাখা দরকার। ওজন হ্রাস ও হজমেও সাহায্য করে, ত্বক ভালো রাখে। লেবু শরীর ও ত্বককে সতেজ করে।

লাচ্ছি: ঐতিহ্যবাহী পানীয়ের মধ্যে দই দিয়ে তৈরি লাচ্ছি ভীষণ জনপ্রিয় পানীয়। দই দিয়ে তৈরি এই পানীয় ছোট বড় সবার পছন্দের তালিকায় পরে যা খুব পুষ্টিকর পানীয়। দই থেকে প্রোটিন, ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন ডি, এ, ১২, ডি, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, সেলোনিয়াম ইত্যাদি পাওয়া যায়। দই হজমে সহায়তা করে মস্তিষ্কের সেকোটিনিন মেলাটোনিন তৈরিতে সাহায্য করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। অন্তের হজম উপকারী ব্যকটেরিয়া বৃদ্ধি করে। ছত্রাকের সংক্রমণ রোধ করে ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস করতে পারে। তাজা দইকে প্রিবিউটিক খাবারও বলা হয়।

কাঁচা আমের শরবত: আম আমাদের দেশীয় সুস্বাদু সিজনাল ফল। আর কাঁচা আমে গুণাবলী রয়েছে অনেক। কাঁচা আমের শরবত শরীর ঠান্ডা করে। কাঁচা আমের রয়েছে আয়রন, ভিটামিন সি, আরও অনেক ভাটামিনস, মিনিরেল। ভিটামিন সি নতুন রক্ত কনিকা সৃষ্টি করে। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, স্কার্ভি প্রতিরোধ করে, মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। লিভারের ভালো বন্ধু। এনার্জি ড্রিংকস হিসেবে কাজ করে।

লেখকঃপুষ্টিবিদ রুবায়দা সুলতানা তনিমা।  

 

Side banner